বাহারি বৈদ্যুতিক আলোর ভিড়ে দীপাবলিতে ম্লান মাটির প্রদীপ, চিন্তায় মৃৎশিল্পীরা
আলোর উৎসবকে সামনে রেখে ঘরবাড়ি সাজানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে সর্বত্র। অন্ধকার দূর করে আলোর বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার এই উৎসবে একসময় মাটির প্রদীপই ছিল প্রধান আকর্ষণ।

দীপাবলির আলোর উৎসবকে সামনে রেখে ঘরবাড়ি সাজানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে সর্বত্র। অন্ধকার দূর করে আলোর বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার এই উৎসবে একসময় মাটির প্রদীপই ছিল প্রধান আকর্ষণ। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলেছে উৎসবের আলোকসজ্জার ধরন।
ঐতিহ্যবাহী মাটির প্রদীপের জায়গা ক্রমশ দখল করে নিচ্ছে বাহারি বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক আলো। ফলে আধুনিক আলোকসজ্জার দাপটে ক্রমেই কমছে মৃৎশিল্পীদের হাতে তৈরি মাটির প্রদীপের কদর।একসময় দীপাবলির আগে মাটির প্রদীপ তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটত মৃৎশিল্পীদের। উৎসবের মরশুমে প্রদীপের চাহিদা তাঁদের আয়ের অন্যতম ভরসা ছিল।
কিন্তু বর্তমানে বৈদ্যুতিক আলোর প্রতি মানুষের আকর্ষণ বাড়ায় ঐতিহ্যবাহী মাটির প্রদীপের বাজার অনেকটাই প্রভাবিত হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে মৃৎশিল্পীদের জীবিকা ও উপার্জনে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কারিগরদের কাছে তাই দীপাবলি এখন শুধু উৎসবের মরশুম নয়, জীবিকা টিকিয়ে রাখারও এক বড় চ্যালেঞ্জ।