ব্রেকিংরাজনীতি

শান্তির বাজারে মনোনয়ন জমায় বাধার অভিযোগ, নিরাপত্তার দাবিতে ডিএমের দ্বারস্থ সিপিআই(এম)

আসন্ন পৌর পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শান্তির বাজার মহকুমা শাসকের (এসডিএম) কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অনুকূল পরিবেশ নেই বলে অভিযোগ তুলল সিপিআই(এম)। শাসকদল বিজেপির বাইক বাহিনী ও কর্মী-সমর্থকদের দাপটে বিরোধী দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারছেন না বলে অভিযোগ।

Pratibadi Kalam Newsroom2 মিনিট পড়া
শান্তির বাজারে মনোনয়ন জমায় বাধার অভিযোগ, নিরাপত্তার দাবিতে ডিএমের দ্বারস্থ সিপিআই(এম)

শান্তির বাজার।। আসন্ন পৌর পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শান্তির বাজার মহকুমা শাসকের (এসডিএম) কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অনুকূল পরিবেশ নেই বলে অভিযোগ তুলল সিপিআই(এম)। শাসকদল বিজেপির বাইক বাহিনী ও কর্মী-সমর্থকদের দাপটে বিরোধী দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারছেন না বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, দক্ষিণ জেলার জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করল সিপিআই(এম)-এর এক প্রতিনিধি দল।

সিপিআই(এম)-এর অভিযোগ, শান্তির বাজার এসডিএম অফিসের সম্পূর্ণ চত্বর এবং সংলগ্ন এলাকা শাসকদল বিজেপির বাইক বাহিনী দখল করে রেখেছে। প্রায় শতাধিক বিজেপি কর্মী অফিস চত্বরে অবস্থান করায় বিরোধী দলের প্রার্থীদের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার মতো স্বাভাবিক পরিবেশ তৈরি হচ্ছে না। ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

এই পরিস্থিতির প্রতিকার চেয়ে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তাঁরা বিরোধী দলের প্রার্থীরা যাতে কোনও বাধা বা ভয়ভীতি ছাড়াই মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এসডিএম অফিস ও তার আশপাশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন সিপিআই(এম)-এর দক্ষিণ জেলা সম্পাদক তাপস দত্ত, শান্তির বাজার মহকুমা সম্পাদক আশুতোষ দেবনাথ, সিপিআই-এর জেলা সম্পাদক বিকাশ দে এবং বিধায়ক অশোক মিত্র। প্রতিনিধি দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বলে জানানো হয়েছে।

আসন্ন পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর্যায়েই এই ধরনের অভিযোগ রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিরোধীদের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপই এখন শান্তির বাজারে একটি অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।