ব্রেকিংঅপরাধ

বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে, মৃতদেহ উদ্ধারে বাধা এলাকাবাসীর

মঙ্গলবার গভীর রাতে কালিশঙ্কর ঠাকুর পাড়ার বাসিন্দা ৬৫ বছর বয়সি সুধন দেববর্মাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে তাঁর ছেলে ব্রিজেশ দেববর্মা বলে অভিযোগ। সকালে ঘটনার খবর পেয়ে বোধজংনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু স্থানীয়দের বাধার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে মৃতদেহ ঘর থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।

Pratibadi Kalam Newsroom2 মিনিট পড়া
বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে, মৃতদেহ উদ্ধারে বাধা এলাকাবাসীর

আগরতলা: বাবাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে। বোধজংনগর থানার অন্তর্গত কালিশঙ্কর ঠাকুর পাড়ায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করে থানায় নিয়ে যেতে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি মৃতদেহ উদ্ধারেও পুলিশকে বাধার মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, ঘটনাস্থলে যাওয়া পুলিশকর্মীদের পাশাপাশি সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকরাও এলাকাবাসীর বাধার সম্মুখীন হন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে কালিশঙ্কর ঠাকুর পাড়ার বাসিন্দা ৬৫ বছর বয়সি সুধন দেববর্মাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে তাঁর ছেলে ব্রিজেশ দেববর্মা বলে অভিযোগ। সকালে ঘটনার খবর পেয়ে বোধজংনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু স্থানীয়দের বাধার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে মৃতদেহ ঘর থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে। ফলে দীর্ঘক্ষণ ঘরের মধ্যেই পড়ে থাকে মৃতদেহ।

অন্যদিকে, ঘটনার খবর সংগ্রহ করতে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদের ছবি তুলতেও বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ অভিযুক্ত ব্রিজেশ দেববর্মাকে নিজেদের গাড়িতে তুলতে সক্ষম হলেও এলাকাবাসী সেই গাড়ি এলাকা থেকে বের হতে দেননি। ফলে অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে স্থানীয়দের বাধার কারণে পুলিশি পদক্ষেপ ব্যাহত হওয়ায় এলাকায় উত্তেজনা বজায় থাকে। একজন প্রবীণ ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি এবং তদন্তে বাধার অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করাই এখন পুলিশের সামনে প্রধান দায়িত্ব।