ব্রেকিংরাজনীতি

পুরভোটে এনডিএ জোট অটুট, আসন সমঝোতায় দিল্লির সবুজ সংকেতের অপেক্ষা বিজেপির

প্রার্থী বাছাইয়ে যুবসমাজ ও জনগ্রহণযোগ্যতাকে অগ্রাধিকার, প্রচারের মূল হাতিয়ার উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন.আসন্ন আগরতলা পুরনিগম-সহ রাজ্যের পুরপরিষদ ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে এনডিএ জোট ঐক্যবদ্ধভাবেই লড়াই করবে। তবে জোটের শরিক তিপ্রা মথা ও আইপিএফটির সঙ্গে আসন সমঝোতার বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্বের অনুমোদন পাওয়ার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে। রবিবার দলের সাংগঠনিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানিয়েছেন বিজেপির প্রদেশ সভাপতি বিশ্বজিৎ দত্ত।

Pratibadi Kalam Newsroom2 মিনিট পড়া
পুরভোটে এনডিএ জোট অটুট, আসন সমঝোতায় দিল্লির সবুজ সংকেতের অপেক্ষা বিজেপির

আগরতলা ।। আসন্ন আগরতলা পুরনিগম-সহ রাজ্যের পুরপরিষদ ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে এনডিএ জোট ঐক্যবদ্ধভাবেই লড়াই করবে। তবে জোটের শরিক তিপ্রা মথা ও আইপিএফটির সঙ্গে আসন সমঝোতার বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্বের অনুমোদন পাওয়ার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে। রবিবার দলের সাংগঠনিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানিয়েছেন বিজেপির প্রদেশ সভাপতি বিশ্বজিৎ দত্ত।

তিনি জানান, আসন্ন পুর নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, নির্বাচনী প্রস্তুতি ত্বরান্বিত করা এবং বুথস্তর থেকে সংগঠনকে আরও মজবুত করার লক্ষ্যে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে মন্ত্রী-সহ দলের বিভিন্ন স্তরের পদাধিকারীরা উপস্থিত ছিলেন। আগরতলা পুরনিগম-সহ রাজ্যের সমস্ত নগর স্থানীয় সংস্থার নির্বাচনে সাংগঠনিক প্রস্তুতি কীভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে, তা নিয়েও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্যালোচনা করা হয়েছে।

তিপ্রা মথার সঙ্গে জোটের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে বিশ্বজিৎ দত্ত বলেন, তিপ্রা মথা এনডিএর অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকেই তারা জোটের সঙ্গে রয়েছে। ফলে আসন্ন পুর নির্বাচনেও জোটের ঐক্য বজায় রেখে একসঙ্গে লড়াই করার ব্যাপারে বিজেপি ইতিবাচক। তাঁর কথায়, “তিপ্রা মথা এনডিএর অবিচ্ছেদ্য অংশ। জোটধর্ম রক্ষা করতে যা করণীয়, আমাদের পক্ষ থেকে সেই চেষ্টা করা হবে। আমরা জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত।”

তবে তিপ্রা মথাকে কোন কোন পুর এলাকায় কতগুলি আসন ছেড়ে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দল। তাই আসন বণ্টনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজ্য নেতৃত্ব এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত রূপরেখা প্রকাশ করা সম্ভব হবে। আসন ভাগাভাগি পঞ্চাশ-পঞ্চাশ অনুপাতে হওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি তিনি। বরং জানিয়েছেন, সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আসন সমঝোতা নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু বলা সম্ভব নয়।

পাহাড়ে তিপ্রা মথার সাংগঠনিক শক্তি এবং সমতলে তাদের প্রভাব নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির প্রদেশ সভাপতি বলেন, এনডিএকে তাঁরা একটি ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবেই দেখেন। তিপ্রা মথার শক্তিকে বিজেপি তথা এনডিএর শক্তি বলেই বিবেচনা করা হয়। তাই পাহাড় ও সমতলের রাজনৈতিক সমীকরণকে আলাদা করে দেখার প্রয়োজন নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে, এনডিএর আরেক শরিক আইপিএফটিকেও আসন ছাড়ার বিষয়ে বিজেপির ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে বলে জানান বিশ্বজিৎ দত্ত। তবে এই ক্ষেত্রেও আলোচনা এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের পরই চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট হবে। অর্থাৎ পুর নির্বাচনে জোটের ঐক্যের বার্তা দেওয়া হলেও