কুমারঘাটে পুলিশের জোড়া অভিযান, ১১ লক্ষাধিক টাকার বার্মিজ সিগারেট ও শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত
চোরা কারবার রুখতে শুক্রবার রাতে কুমারঘাট থানার পুলিশের পরপর দুটি অভিযানে বড়সড় পাচারচক্রের চেষ্টা বানচাল হয়েছে। আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক-সহ কুমারঘাট-কৈলাশহর মূল সড়কে পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ বার্মিজ সিগারেট ও শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

চোরা কারবার রুখতে শুক্রবার রাতে কুমারঘাট থানার পুলিশের পরপর দুটি অভিযানে বড়সড় পাচারচক্রের চেষ্টা বানচাল হয়েছে। আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক-সহ কুমারঘাট-কৈলাশহর মূল সড়কে পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ বার্মিজ সিগারেট ও শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। দুটি অভিযানে মোট বাজেয়াপ্ত সামগ্রীর বাজারমূল্য ১১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকারও বেশি বলে জানিয়েছেন কুমারঘাট থানার ওসি সঞ্জয় দাস।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে ৯১ মাইল এলাকায় নাকা তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় AS 01 EH 9983 নম্বরের একটি গাড়ি আটক করে পুলিশ। গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় ২২ কার্টন বার্মিজ সিগারেট, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১১ লক্ষ টাকারও বেশি। এই ঘটনায় গাড়ির চালক-সহ কৈলাশহরের দুই বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একই রাতে কুমারঘাট-কৈলাশহর মূল সড়কের সায়দাবাড়ি এলাকায় দ্বিতীয় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে একটি ইলেকট্রিক অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ শব্দবাজি উদ্ধার করা হয়। TR 02 DH 846 নম্বরের ওই গাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত করা শব্দবাজির আনুমানিক মূল্য ১৫ হাজার টাকারও বেশি। এই ঘটনায় সোনাইমুড়ির বাসিন্দা রাজেশ মালাকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দুটি অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমারঘাট থানার সাব-ইন্সপেক্টর দেবব্রত শীল ও অভিরূপ দাস। থানার ওসি সঞ্জয় দাস জানান, বাজেয়াপ্ত সামগ্রীর মোট বাজারমূল্য ১১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকারও বেশি। চোরা কারবার ও অবৈধ সামগ্রী পরিবহণ রুখতে পুলিশের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।