ব্রেকিংপ্রথম পাতা

ইছাই লালছড়ায় ফের অবৈধ চিরাই কাঠ উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা

আব্দুল সামেত নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই কাঠ উদ্ধার করে বনদপ্তর। উদ্ধার হওয়া কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বলে বনদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, এর আগেও একই ব্যক্তির বাড়ি থেকে অবৈধ চিরাই কাঠ উদ্ধার করেছিল বনদপ্তর।

Pratibadi Kalam Newsroom2 মিনিট পড়া
ইছাই লালছড়ায় ফের অবৈধ চিরাই কাঠ উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা

উত্তর ত্রিপুরার ইছাই লালছড়া এলাকায় ফের বিপুল পরিমাণ অবৈধ চিরাই কাঠ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আব্দুল সামেত নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই কাঠ উদ্ধার করে বনদপ্তর। উদ্ধার হওয়া কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বলে বনদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, এর আগেও একই ব্যক্তির বাড়ি থেকে অবৈধ চিরাই কাঠ উদ্ধার করেছিল বনদপ্তর। পূর্বের ঘটনার এক বছরের মধ্যেই ফের একই বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ কাঠ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় মহলে প্রশ্ন উঠছে, আগেরবার কাঠ উদ্ধারের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল? মামলা দায়ের হয়ে থাকলে তার বর্তমান অগ্রগতি কী? পূর্বের ঘটনার পরও কীভাবে পুনরায় এই ধরনের অবৈধ কারবার চলার সুযোগ তৈরি হলো?

জানা গেছে, এবারের অভিযানে উদ্ধার হওয়া কাঠের স্বপক্ষে কোনও বৈধ নথিপত্র দেখানো সম্ভব হয়নি। পুলিশ, বিএসএফ ও বনদপ্তরের উপস্থিতিতে যৌথভাবে এই অভিযান চালানো হয়। তবে কাঠ উদ্ধার ও জব্দ করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

একদিকে নির্বিচারে গাছ কাটার মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংসের অভিযোগ, অন্যদিকে একই ব্যক্তির বাড়ি থেকে বারবার অবৈধ কাঠ উদ্ধারের ঘটনা—সব মিলিয়ে বনদপ্তরের নজরদারি ও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে সচেতন মহলে।

এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন, বারবার অভিযান চালিয়ে কাঠ উদ্ধার করা হলেও অবৈধ কাঠের কারবার পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না কেন? এবারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বনদপ্তর কী ধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে, মামলা রুজু হয় কি না এবং পূর্বের ঘটনার মামলার পরিণতিই বা কী হয়েছে—সেদিকেই নজর রয়েছে এলাকাবাসীর। শুধুমাত্র কাঠ উদ্ধার ও জব্দ করার মধ্যেই কি প্রশাসনিক পদক্ষেপ সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি এবার ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে, সেটাই এখন দেখার।